![]() |
| দাঁত পুনরুজ্জীবন প্রযুক্তি: চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন বিপ্লবের সূচনা |
মানুষ সাধারণত জীবনে দুই সেট দাঁতই পায়-শৈশবে শিশু দাঁত, এবং পরবর্তীতে স্থায়ী দাঁত। একবার এই দাঁত হারালে বা অনুপস্থিত হলে সাধারণভাবে আর নতুন দাঁত গজায় না। তাই দাঁত হারানো বা জন্মগতভাবে দাঁত না থাকা (যেমন হাইপোডোনটিয়া, অলিগোডোনটিয়া) এমন ব্যক্তিদের জন্য এখন পর্যন্ত প্রথাগতভাবে দাঁতের ইমপ্লান্ট, ডেন্টার্স বা সুইচেবল প্রস্থাপন ছিল একমাত্র সমাধান। কিন্তু আজ বিজ্ঞান একটি নতুন দিগন্তের দিকে অগ্রসর হয়ে যাচ্ছে-মানুষের দেহের নিজস্ব সক্ষমতা ব্যবহার করে নতুন দাঁত গজাতে দেওয়া। জাপানের একটি গবেষণা দলের নেতৃত্বে সেই দিশায় সফল সূচনা হয়েছে।
এই প্রতিবেদনে আমরা সেই নতুন প্রযুক্তি, এর বিজ্ঞান, গবেষণা অবস্থা, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করব।
গবেষণার কারণ ও চাহিদা
দাঁত হারানো বা দাঁত অনুপস্থিত থাকার কারণে অনেক ধরনের শারীরিক ও সামাজিক সমস্যা হয়:
-
ভালভাবে চামচ দিয়ে খাওয়া যায় না বা খাওয়ার সময় সমস্যা হয়-যা পুষ্টি প্রভাবিত করে।
-
শব্দ উচ্চারণ বা ভাষা / উচ্চারণের সমস্যা হতে পারে, বিশেষ করে সামনে দাঁত হারালে।
-
মুখমণ্ডল বা চোয়ালের গঠন পরিবর্তিত হতে পারে, মুখের রূপ ও আত্মবিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
-
দীর্ঘ মেয়াদে দাঁত না থাকলে দিক-দিকের দাঁত নড়ে যেতে পারে, অথবা হাড়ের ক্ষয় ঘটতে পারে (আলভিওলর হাড়)।
-
ইমপ্লান্ট বা ডেন্টার্স ব্যবহারে আছে ব্যয়সাপেক্ষতা, ইনফেকশন বা ক্ষয়-ক্ষতির সম্ভাবনা।
এই কারণে আধুনিক ডেন্টাল চিকিৎসায় “প্রাকৃতিক ভাবে দাঁত পুনরুদ্ধার” সমাধান একটি বৃহৎ চাহিদা সৃষ্টি করেছে। একদিকে আছে রোগীর চাহিদা, অন্যদিকে আছে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সুযোগ-যেমন স্টেম সেল, জৈব উপাদান, জেনেটিক নিয়ন্ত্রণ।
এই প্রেক্ষাপটে জাপানের গবেষণাটি বেছে নিয়েছে একটি নতুন পথ: দেহের মধ্যে ইতিমধ্যেই থাকা “তৃতীয় দাঁতের কুঁড়ি” সক্রিয় করার মাধ্যমে নতুন দাঁত গজানোর দিকে।
মূল বিজ্ঞান: USAG‑1 এবং দন্ত উৎপত্তি
গবেষণার অন্যতম মূল বিষয় হল USAG-1 (Uterine Sensitization-Associated Gene-1) নামে একটি প্রোটিন। গবেষণায় দেখা গেছে, এই প্রোটিন দাঁতের বিকাশকে বাধা দেয়। সংক্ষেপে ভিউ দেওয়া হলো:
-
USAG-1 একটি প্রোটিন যা দন্ত উৎপত্তি (tooth development) নিয়ন্ত্রণকারী সিগন্যাল যেমন BMP signalling pathway (Bone Morphogenetic Protein) এবং Wnt signalling pathway–কে দমন করে।
-
শুধু অবিকশিত (dormant) দাঁতের কুঁড়ি (tooth germs) নয়, congenital (জন্মগত) দাঁত অনুপস্থিতি (agenesis)–র ক্ষেত্রে এই USAG-1 সক্রিয় থাকলে দাঁত গজানো সম্ভব হয় না।
-
মাউস-মডেলে USAG-1 রোধ করলে (knock-out বা neutralizing antibody প্রয়োগ করে) অতিরিক্ত বা নতুন দাঁতের গঠন দেখা গেছে।
-
অর্থাৎ, সাদা হাড় বা দাঁতের কাঠামোটা তৈরি হওয়ার জন্য এই signalling ম্যাসেজ প্রয়োজন, আর USAG-1 তার “ব্রেক” হিসেবে কাজ করে।
এই উপলব্ধি থেকে গবেষকরা ধারণা করেছেন যে-হয়তো আমাদের দেহের মানুষের জন্য “তৃতীয় দাঁতের সম্ভাবনা” (third dentition) এখনও রয়েছে, তবে USAG-1-এর কারণে সাধারণত সক্রিয় হয় না। এবং যদি এই বাধাটি দূর করা যায়, তাহলে নতুন দাঁত গজানো সম্ভব হতে পারে।
ওষুধ/থেরাপি: TRG‑035
এই ধারণার ভিত্তিতে উদ্ভাবিত হয়েছে TRG-035 নামের একটি মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি (monoclonal antibody) বা স্নায়বিক ওষুধ–যা USAG-1-কে নিরসন করতে কাজ করে। নিচে মূল বিষয়বস্তু:
-
TRG-035 মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি যা USAG-1 প্রোটিনের ক্রিয়াকে বাধা দেয়।
-
মাউস ও ফারেট (ferret)-র মতো প্রাণীদের মডেলে পরীক্ষা করা হয়েছে-যেখানে নতুন দাঁতের গঠন দেখা গেছে।
-
পরবর্তী ধাপে মানব পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে; জাপানের গবেষকরা ২০২৪ সালের শেষের দিকে প্রথম মানব পর্যায়ের ক্লিনিকাল ট্রায়ালের সূচনা করেছে।
-
গবেষণা প্রতিষ্ঠান যেমন Toregem BioPharma (জাপান) এবং WuXi Biologics–এর মধ্যে অংশীদারিত্ব রয়েছে, যাতে TRG-035-এর উন্নয়ন, উৎপাদন ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুত করা যায়।
-
পরিকল্পনা অনুসারে এই ওষুধের বাণিজ্যিক উপলব্ধতা সম্ভব হলে ২০৩০ সাল নাগাদ হতে পারে।
প্রাণী মডেলে অগ্রগতি
গবেষণার পূর্ব ধাপ-প্রাণী মডেলে সফলতা-বিশ্লেষণযোগ্য:
-
মাউস মডেলে USAG-1 রোধ করা হয় এবং দেখা যায় নতুন দাঁতের গঠন ঘটে-এমনকি অতিরিক্ত দাঁত (supernumerary teeth) উৎপত্তি হয়।
-
ফারেট প্রাণীতে (যাদের দাঁতের কাঠামো মানুষের সাথে তুলনীয়) TRG-035-র মতো পদ্ধতি প্রয়োগে নতুন দাঁত গজানো হয়েছে।
-
এই ফলাফল প্রমাণ করে যে শুধু জৈব ইঞ্জিনিয়ারিং বা স্টেম সেল নয়-সরাসরি সিগন্যালিং পথ (signalling pathway) নিয়ন্ত্রণ করেই কার্যকর দাঁত পুনর্জন্ম সম্ভব।
এই প্রাণী পর্যায়ের সফলতা মানব পর্যায়ে পরীক্ষার পথ পরিষ্কার করেছে।
মানব পর্যায়ের পরীক্ষার অবস্থা
বর্তমানে মানব পর্যায়ে যা ঘটে চলছে তা সংক্ষেপে:
-
২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে জাপানের Kyoto University Hospital ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান “Phase 1” ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু করেছে, যার উদ্দেশ্য মূলত নিরাপত্তা ও ডোজ নির্ধারণ।
-
প্রাথমিকভাবে ৩০ জন সুস্থ পুরুষ (বয়স ৩০–৬৪ বছর) অন্তত একটি দাঁত না থাকা ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
-
পরবর্তী ধাপে শিশু (২–৬ বা ২–৭ বছর বয়সি) congenital tooth agenesis-র আক্রান্তদের জন্য পরীক্ষা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
-
মূল প্রশ্নগুলি হচ্ছে:
-
নিরাপদ কি না? (Side-effects আছে কি না)
-
কার্যকর কি না? (দাঁত গজায় কি না, কাঠামো / শিকড় / এনামেল ঠিক হয় কি না)
-
বড়-পরিসরে প্রয়োগের জন্য কি প্রস্তুতি আছে?
-
-
গবেষকরা আশাবাদী যে ২০৩০ সাল নাগাদ সাধারণ মানুষ জন্য এই থেরাপি উন্মুক্ত হতে পারে-তবে অনেক নিয়ন্ত্রণমূলক ও দীর্ঘ-মেয়াদি বিশ্লেষণ এখনও বাকি।
সম্ভাব্য সুবিধা ও প্রভাব
যদি TRG-035 বা অনুরূপ থেরাপি সফল হয়, তাহলে দাঁত হারানোর ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত সুবিধাগুলি আসতে পারে:
-
প্রাকৃতিক দাঁত পুনর্জন্ম-ইমপ্লান্ট বা ডেন্টার্সের পরিবর্তে নিজের দেহের অংশ হিসেবে দাঁত গজাবে, যা আরও স্বাভাবিকভাবে কাজ করবে।
-
কম ইনভেসিভ চিকিৎসা-ইমপ্লান্টের তুলনায় সার্জারি কম হতে পারে, পুনরুদ্ধার সময় কম হতে পারে, জটিলতা কম হতে পারে।
-
দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল-একবার নতুন দাঁত গজালে সেগুলি হয়তো অনেক বছর চলে যেতে পারে, রিমুভেবল ডেন্টার্স বা ক্ষয়প্রবণ ইমপ্লান্টের তুলনায় ভালো হতে পারে।
-
বিশেষ ক্ষেত্রের জন্য বিশাল সুযোগ-যেমন জন্মগত দাঁত অনুপস্থিতি (hypodontia, oligodontia) বা বয়স্ক মানুষের জন্য দাঁত খারাপ বা হারানোর ক্ষেত্রে-থেরাপি এক নতুন বিকল্প হবে।
-
বিশ্বব্যাপী দাঁতের চিকিৎসার দৃষ্টিভঙ্গা বদলে যাবে-শুধুই ক্ষত মেরামত নয়; দাঁত পুনর্জন্ম সম্ভাব্য হতে পারে।
সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ
কিন্তু এটা নিশ্চয় বলা যায় না যে এখনই প্রত্যেকের জন্য এই থেরাপি চলে আসবে। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা:
-
মানবদেহে কার্যকারিতা এখনও নিশ্চিত নয়-প্রাণী মডেলে সফল হলেও মানুষের ক্ষেত্রে একই ফলাফল মিলবে কি না, সেটি এখনও পরীক্ষাধীন।
-
নিরাপত্তা প্রশ্ন-দীর্ঘমেয়াদী সাইড-ইফেক্ট কি হবে? রোগপ্রবণতা, ইমিউন রেস্পন্স বা অনাকাঙ্ক্ষিত দন্ত গঠন হবে কি না?
-
দাঁতের গঠন পূর্ণাঙ্গ হবে কি না-শুধু দাঁত গজালেই হবে না, দাঁতের শিকড়, এনামেল, লিগামেন্ট, নড়াচড়া এবং শক্তি-স্থায়ীতা সবই গুরুত্বপূর্ণ।
-
নিয়ন্ত্রক অনুমোদন ও উৎপাদন-মেডিসিনটি বাজারে আনতে হলে কঠোর নিয়ম আছে; GMP উত্পাদন ও বড়-পরিসরের ট্রায়াল দরকার।
-
লাগাতার সময় ও খরচ-ভবিষ্যতে দাম কত হবে? অনেক দেশে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে হওয়ার ভয়ে রয়েছে।
-
সকল পরিস্থিতিতে প্রয়োগযোগ্য নয়-যেমন শুধু শুধু দাঁত হারালে হাড় বা নড়াচড়া সমস্যা হলে থেরাপি শুধুই একাংশ সমাধান হবে না।
-
সামাজিক ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ-উদাহরণস্বরূপ, শিশুদের ক্ষেত্রে এই থেরাপি দেয়া হলে কি দীর্ঘমেয়াদে অন্য জিনগত প্রভাব পড়বে?
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও প্রাসঙ্গিকতা
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই থেরাপি বিশেষভাবে গুরুত্বি পেলেও কিছু বিষয় বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন:
-
অনেক মানুষ দাঁত খারাপ হওয়ার কারণে ইমপ্লান্ট বা ডেন্টার্স নেয়-যা খরচবহুল। এমন ক্ষেত্রে একটি স্বাভাবিক দাঁত-পুনর্জন্ম থেরাপি একটি বড় বিপ্লব হতে পারে।
-
তবে এই থেরাপি সাধারণ মানুষের নাগালে আসতে সময় লাগবে-প্রথমে উন্নত দেশে প্রয়োগ হবে, পরে ধীরে ধীরে উন্নয়নশীল দেশে যাবে।
-
স্থানীয় দন্তচিকিৎসা কেন্দ্রের অবকাঠামো, জনসাধারণের সচেতনতা, খরচ ও সহজলভ্যতা সব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।
-
জনস্বাস্থ্যের দিক থেকে দাঁত খারাপ ও দাঁত হারানো বিষয়টি দাঁতের স্বাস্থ্যের অংশ হিসেবে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে-এবং এই গবেষণা সেই চিত্র বদলে দিতে পারে।
-
সাংবাদিক হিসেবে আপনি এই থেরাপির সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ উভয়কেই বিশ্লেষণ করতে পারেন-যেমন “২০২৫ সালে বাংলাদেশের জন্য কি সম্ভাবনা?” বা “দাঁত হারিয়ে পড়া মানুষের জন্য কী ভাবনায় পরিবর্তন আসছে?” ইত্যাদি।
ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি
-
আগামী কয়েক বছর (২০২৫–২০৩০) সময়টি গুরুত্বপূর্ণ হবে। যদি Phase 2 ও Phase 3 ট্রায়াল সফল হয়, তবে ২০৩০ সাল নাগাদ বাণিজ্যিকভাবে পাওয়া সম্ভব হতে পারে-তবে এটি সম্মোহিত অর্থে নয়, ধাপে ধাপে।
-
ভবিষ্যতে শুধুই দাঁত নয়, হয়তো মুখ, চোয়াল, দাঁত সংক্রান্ত আরও জৈব পুনর্জন্ম থেরাপি দেখা যাবে-যেমন দাঁতের রুট, এনামেল, হাড় ও লিগামেন্ট পুনর্নির্মাণ।
-
দাঁতের চিকিৎসা শিল্প (ডেন্টিস্ট্রি)-র দৃষ্টিভঙ্গা বদলে যাবে-একদিকে মেরামত থেরাপি, অন্যদিকে পুনর্জন্ম থেরাপি।
-
এছাড়া অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে বড় পরিবর্তন আসবে-দাঁত হারানো এখন সাধারণ ঘটনা, কিন্তু একদিন হয়তো দাঁত হারানো আর বড় সমস্যা না হবে।
-
তবে সম্পাদকীয় বা সাংবাদিক হিসেবে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব থাকবে: “আশাবাদ” এবং “সতর্কতা” দুইয়ের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা। অনেকেই হয়তো “দাঁত গজাবে” এমন আজব হাইপে ভর করবে-কিন্তু বাস্তবতা আরও জটিল।
পরিশেষে বলা যায়
দাঁতের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা ছিল-একবার দাঁত হারালে দেহ নতুন দাঁত গজাতে পারে না। কিন্তু গবেষণা দেখাচ্ছে-আমরা হয়তো সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে চলেছি। TRG-035 নামের এই থেরাপি USAG-1 প্রোটিনকে বাধা দিয়ে দান্দ্রীয় (odontogenesis) সিগন্যাল সক্রিয় করে দাঁত গজানোর পথ খুলছে। প্রাণী মডেলে ইতিমধ্যে সফলতা এসেছে, মানব পর্যায়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে এবং আগামী দশকে এই থেরাপি সাধারণ মানুষের দাওয়ায় আসতে পারে।
বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশে এটি পৌঁছাতে সময় লাগবে-কিন্তু সুযোগ রয়েছে, এবং এ ক্ষেত্রে সাংবাদিক হিসেবে আপনি এই বিষয়টি সমাজের সামনে তুলে ধরতে পারেন। যেমন: দাঁত হারানো মানুষের সংখ্যা, বর্তমান বিকল্প (ইমপ্লান্ট, ডেন্টার্স)-এর খরচ ও সীমাবদ্ধতা, নতুন থেরাপির সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ ইত্যাদি।
শেষ কথা এই যে-“দাঁত হারানো” হয়তো একদিন ইতিহাস হয়ে যাবে; সেই দিন অপেক্ষায় থাকা উচিত, কিন্তু প্রস্তুত থাকতে হবে সতর্কভাবে।
